#রক্তহীন
মোঃ মিসাদ আলী
সারাদিনের কাজ শেষে মাঠ থেকে বাড়ি ফিরছে শাহীন। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নেমেছে। তবে চাঁদটা আকাশের বুকে থাকায় পথ চলতে সুবিধা হচ্ছে তার।
মাঝপথের নির্জন জায়গাটায় আসতেই অনুভব করে, কেউ তাকে অনুসরণ করছে। পেছনে ফিরে দেখে, কেউ নেই সেখানে! কিন্তু সে তো কারো পায়ের শব্দ স্পষ্ট শুনেছে। সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে সামনে এগিয়ে চলে। আবার সেই শব্দ শুনে পেছনে দেখে, কোনো এক অবয়ব সরে গেল যেন। কাঁধ বেয়ে শীতল স্রোত বয়ে চলেছে। এবার সামনে ঘুরে বাড়ির পথে অগ্রসর হতে গেলেই সামনে দেখে কেউ একজন দাঁড়িয়ে আছে তার থেকে মাত্র এক হাত দূরে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেই অজ্ঞাত ব্যক্তি চেপে ধরে শাহীনকে। কিছুক্ষণ দুজনের মাঝে হাতাহাতির পর পড়ে যায় একটি নিথর দেহ।
পরদিন সকাল,
গ্রামের এক কৃষক মাঠে যাবার সময় দেখতে পায় সেই মৃতদেহ। এলাকাবাসী খবর পেয়ে ছুটে আসে দেখতে। সবাই মিলে সনাক্ত করে, এটা চেনুদা ডাকাতের মৃতদেহ। সাথে সবার নজরে আসে, মৃতদেহের কাঁধের কাছে একদিকে দুইটা ছোট ছোট ছিদ্র, আর দেহ একদম রক্তহীন। এটা দেখে ভীড়ের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা শাহীনের ভীষণ পিপাসা পায়, রক্তের পিপাসা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন